জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ২০০৭ MCQ প্রশ্ন সমাধান — প্রশ্ন ও সমাধান
- পরীক্ষা:
- হালনাগাদ:
- ২ বার দেখা হয়েছে
- ১০০
- ১০০
- ১০০ মি.
- ১ নম্বর
- নেই
প্রশ্ন ও সমাধান · ১–২০ / ১০০
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান
প্রশ্ন ১: নিচের কোন বাক্যটি চলিত ভাষার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
- ক) তদ্ভব ও অর্ধ-তৎসম শব্দের ব্যবহার অপেক্ষাকৃত বেশি
- খ) সর্বনামের পূর্ণরূপ ব্যবহার করা হয় না
- গ) চলিত ভাষা কৃত্রিম ও অপরিবর্তনীয়সঠিক উত্তর
- ঘ) নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতার জন্য চলিত ভাষা অত্যন্ত উপযোগী
ব্যাখ্যা: ভাষার লেখ্য রূপের দুটো রীতি। যথা- ক. চলিতরীতি খ. সাধুরীতি। চলিতরীতি পরিবর্তনশীল, তদ্ভব শব্দবহুল, সংক্ষিপ্ত, সহজবোধ্য এবং বক্তৃতা, আলাপ-আলোচনা, নাটকের সংলাপের জন্য বেশি উপযোগী। সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ চলিতরীতিতে পরিবর্তিত ও সহজরূপ লাভ করে। অন্যদিকে, সাধুরীতি গুরুগম্ভীর, তৎসম শব্দবহুল, নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতার অনুপযোগী, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে এ রীতিতে।
বিষয়: বাংলা
প্রশ্ন ২: শুদ্ধ বানানটি চিহ্নিত করুন।
- ক) মূর্ধন্যসঠিক উত্তর
- খ) মূর্ধণ
- গ) মুর্ধন্য
- ঘ) মুর্ধণ্য
ব্যাখ্যা: ণত্ব বিধানের নিয়মানুসারে র, ষ, ঋ-এ তিন বর্ণের পরে মূর্ধন্য (ণ) ব্যবহৃত হলেও মজার ব্যাপার হচ্ছে মূর্ধন্য (ণ) বানানে দন্ত্য (ন) ব্যবহৃত হয়। যা একটি ব্যতিক্রমী নিয়ম।
বিষয়: বাংলা
প্রশ্ন ৩: 'ভালো' কোন বাক্যে বিশেষ্য অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- ক) ঘোড়াটি ভালো দৌড়াতে পারে
- খ) নিজের ভালো কে না চায়?সঠিক উত্তর
- গ) ভালো, তাই হোক
- ঘ) ভালো খাবার সবার প্রিয়
ব্যাখ্যা: কোনো ব্যক্তি, জাতি, সমষ্টি, বস্তু, স্থান, কাল, ভাব, কর্ম বা গুণের নামকে বিশেষ্য পদ বলে। Option [অস্পষ্ট]-তে গুণের নাম বোঝানো হয়েছে। অর্থাৎ এখানে 'ভালো' শব্দটি গুণবাচক বিশেষ্য।
বিষয়: সাধারণ বিজ্ঞান
প্রশ্ন ৪: কোন বাক্যে যৌগিক ক্রিয়ার উদাহরণ নেই?
- ক) এখন যেতে পার
- খ) শিক্ষায় মন সংস্কারমুক্ত হয়ে থাকে
- গ) মা শিশুকে চাঁদ দেখাচ্ছেনসঠিক উত্তর
- ঘ) এ চক্র ছিন্ন তো করতেই হবে
ব্যাখ্যা: একটি সমাপিকা ক্রিয়া ও একটি অসমাপিকা ক্রিয়া যদি একত্রে একটি বিশেষ বা সম্প্রসারিত অর্থ প্রকাশ করে, তবে তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে।
এখন যেতে (অসমাপিকা ক্রিয়া) পার (সমাপিকা ক্রিয়া)।
শিক্ষায় মন সংস্কারমুক্ত হয়ে (অসমাপিকা) থাকে (সমাপিকা)।
এ চক্র ছিন্ন করতেই (অসমাপিকা) হবে (সমাপিকা)।
অন্যদিকে, যে ক্রিয়া একজনের প্রযোজনা বা চালনায় অন্য কর্তৃক অনুষ্ঠিত হয়, সেই ক্রিয়া প্রযোজক ক্রিয়া বলে। যে ক্রিয়া প্রযোজনা করে, তাকে প্রযোজক কর্তা বলে আর যাকে দিয়ে ক্রিয়াটি অনুষ্ঠিত হয়, তাকে প্রযোজ্য কর্তা বলে। যেমন- মা (প্রযোজক কর্তা) শিশুকে (প্রযোজ্য কর্তা) চাঁদ দেখাচ্ছে।
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান
প্রশ্ন ৫: কোন দুটি মূল স্বরধ্বনি নয়?
- ক) ঐ, অ
- খ) আ, ঔ
- গ) ই, ঔ
- ঘ) ঐ, ঔসঠিক উত্তর
ব্যাখ্যা: যে স্বরধ্বনিকে ভেঙে উচ্চারণ করা যায় না তথা বিশ্লেষণ করা যায় না, তাকে মূল স্বরধ্বনি বলে। বাংলা ভাষার মূল স্বরধ্বনি ৬টি। যথা : অ, আ, ই, উ, এ, ও। আবার, ভিন্ন ভিন্ন স্বরের সাহায্যে উচ্চারিত স্বরধ্বনিকে যৌগিক স্বরধ্বনি বলে। যৌগিক স্বরধ্বনি দুটি। যথা : ঐ, ঔ। সুতরাং সঠিক উত্তর (ঘ)।
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান
প্রশ্ন ৬: নিচের কোনটি সরল বাক্য তা চিহ্নিত করুন।
- ক) ইহারা যেরূপ, এরূপ রূপবতী রমণী আমার অন্তঃপুরে অনুপস্থিত
- খ) ইহারা যেরূপ, এরূপ রূপবতী রমণী আমার অন্তঃপুরের বাইরে আছে
- গ) ইহাদের মত রূপবতী রমণী আমার অন্তঃপুরে নাইসঠিক উত্তর
- ঘ) ইহারা যেরূপ, এরূপ রূপবতী রমণী আমার অন্তঃপুরে নাই
ব্যাখ্যা: Option (ক), (খ) ও (ঘ)-তে দুটি করে খণ্ড বাক্য বিদ্যমান। সুতরাং এরা সরল বাক্য নয়। Option (গ)-তে কোনো আশ্রিত বাক্য নেই। সুতরাং এটি সরল বাক্য।
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান
প্রশ্ন ৭: 'অনুসর্গ' সম্পর্কে কোন বাক্যটি সঠিক নয়?
- ক) ধাতুর পূর্বে বসে নতুন নতুন শব্দ গঠন করেসঠিক উত্তর
- খ) কখনো কখনো বাক্যে স্বাধীন পদরূপে ব্যবহৃত হয়
- গ) বাক্যের অর্থ সম্পাদনে সাহায্য করে
- ঘ) কখনো কখনো বিভক্তিরূপে ব্যবহৃত হয়
ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় যে অব্যয় শব্দগুলো কখনো স্বাধীন পদরূপে, আবার কখনো শব্দ বিভক্তির ন্যায় বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে, সেগুলোকে অনুসর্গ বলে। যেমন- বিনা/বিনে, বিহনে, প্রতি, সহ, ওপর, মধ্যে, হেতু প্রভৃতি।
অনুসর্গগুলো কখনো প্রাতিপদিকের পরে, কখনো 'কে' এবং 'রে' বিভক্তিযুক্ত শব্দের পরে বসে। যেমন-
বিনা : দুঃখ বিনা সুখ লাভ নয় কি মহীতে? (প্রাতিপদিকের পরে)
সনে : ময়ূরীর সনে নাচিছে ময়ূর। (ষষ্ঠী বিভক্তিযুক্ত শব্দের পরে)
দিয়ে তোমাকে দিয়ে আমার চলবে না। (দ্বিতীয়া বিভক্তিযুক্ত শব্দের পরে)
বিষয়: বাংলা
প্রশ্ন ৮: কোনটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের রচনা?
- ক) হুতোম পেঁচার নক্সা
- খ) কীর্তিবিলাস
- গ) বেতাল পঞ্চবিংশতিসঠিক উত্তর
- ঘ) শর্মিষ্ঠা
ব্যাখ্যা: সমাজসংস্কারক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০-১৮৯১)-এর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ হচ্ছে বেতাল পঞ্চবিংশতি। এটি তার অনুবাদমূলক গ্রন্থ।
বিষয়: বাংলা
প্রশ্ন ৯: 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে'—বাংলা সাহিত্যের কোন কাব্যে বাঙালির এ প্রার্থনা ধ্বনিত হয়েছে?
- ক) অন্নদামঙ্গলসঠিক উত্তর
- খ) পদ্মাবতী
- গ) অশ্রুমালা
- ঘ) লাইলী-মজনু
ব্যাখ্যা: পৌরাণিক মঙ্গল কাব্য 'অন্নদা মঙ্গল'-এ বাঙালির এ প্রার্থনা ধ্বনিত হয়েছে। প্রশ্নে প্রদত্ত উক্তিটি করেন ঈশ্বরী পাটনী।
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান
প্রশ্ন ১০: পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক কে?
- ক) আলাওল
- খ) দৌলত কাজীসঠিক উত্তর
- গ) সৈয়দ হামজা
- ঘ) মুহম্মদ কবীর
ব্যাখ্যা: পুঁথি সাহিত্য হলো অষ্টাদশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে আরবি-ফারসি শব্দ মিশ্রিত এক ধরনের বিশেষ ভাষা রীতিতে রচিত সাহিত্যকর্ম। যেমন 'গাজী কালু', 'চম্পাবতী'। পুঁথিসাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক দৌলত কাজী হলেও অষ্টাদশ শতকের শেষার্ধে ফকির গরীবুল্লাহ, সৈয়দ হামজা প্রমুখ এ কাব্য রচনা করেন।
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান
প্রশ্ন ১১: নিচের কোনটি সঠিক তা চিহ্নিত করুন।
- ক) নন্দিত নরকে—মুহম্মদ জাফর ইকবাল
- খ) আরেক ফাল্গুন—সেলিনা হোসেন
- গ) যদ্যপি আমার গুরু—আহমদ ছফাসঠিক উত্তর
- ঘ) কবি—মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা: আহমদ ছফা এ প্রবন্ধগ্রন্থটি দার্শনিক আবদুর রাজ্জাককে নিয়ে লেখেন। বইটি উৎসর্গ করা হয় ড. আহমদ শরীফের নামে। অন্যান্য Option-এর শুদ্ধরূপ হচ্ছে— ক. নন্দিত নরকে— হুমায়ূন আহমেদ, খ. আরেক ফাল্গুন— জহির রায়হান।
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান
প্রশ্ন ১২: যৌতুক প্রথা প্রাধান্য পেয়েছে কোন গল্পে?
- ক) হৈমন্তীসঠিক উত্তর
- খ) বিলাসী
- গ) কোরবানী
- ঘ) মহেশ
ব্যাখ্যা: 'হৈমন্তী' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি ছোটগল্প। নায়ক- অপু- বয়স-১৯। নায়িকা-হৈমন্তী- বয়স-১৭। তৎকালীন হিন্দু সমাজে ১২ বছর বয়সের মধ্যে বিয়ে দেয়ার নিয়ম ছিল। আর মেয়ের বিয়েতে বেশি বলে পণের অঙ্কও ছিল বেশি। গল্পে হৈমন্তীকে ৫টি নামে ডাকা হয়েছে- হৈমন্তী, শিশির, বুড়ি, হৈম, হৈমী।
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান
প্রশ্ন ১৩: 'ভানুসিংহ ঠাকুর' ছদ্মনামে পদাবলী লিখেছেন—
- ক) শরৎচন্দ্র
- খ) বঙ্কিমচন্দ্র
- গ) রবীন্দ্রনাথসঠিক উত্তর
- ঘ) সত্যেন্দ্রনাথ
ব্যাখ্যা: 'ভানুসিংহ ঠাকুর' ছদ্মনামে পদাবলী লিখেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। অন্যদিকে তেমন ছদ্মনাম না থাকলেও শরৎচন্দ্রের উপাধি 'অপরাজেয় কথাশিল্পী', বঙ্কিমচন্দ্রের উপাধি 'সাহিত্য সম্রাট' এবং সত্যেন্দ্রনাথের উপাধি 'ছন্দের যাদুকর'।
বিষয়: বাংলা
প্রশ্ন ১৪: জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসটির পটভূমিকা হলো—
- ক) '৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ
- খ) ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন
- গ) একুশে ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনসঠিক উত্তর
- ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা: কথাশিল্পী ও চলচ্চিত্র পরিচালক জহির রায়হান বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ও ১৯৫৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি পালনের অভিজ্ঞতায় 'আরেক ফাল্গুন' (১৯৬৬) উপন্যাস রচনা করেন। ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ হয়ে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত চলমান আন্দোলন, জনতার সম্মেলন, ছাত্রছাত্রীদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ, তাদের প্রেমপ্রণয় ইত্যাদি এ উপন্যাসের মূল বিষয়।
বিষয়: বাংলা
প্রশ্ন ১৫: জসীমউদ্দীনের কোন কাব্যগ্রন্থ বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে?
- ক) সোজন বাদিয়ার ঘাট
- খ) বালুচর
- গ) নকসী কাঁথার মাঠসঠিক উত্তর
- ঘ) রাখালী
ব্যাখ্যা: পল্লীকবি জসীমউদ্দীন (১৯০৩-১৯৭৬)-এর নকসী কাঁথার মাঠ (১৯২৯) কাব্যগ্রন্থটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেন E. M. Milford 'Field of the Embroidery Quilt' নামে।
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান
প্রশ্ন ১৬: 'দুধ-ভাতে উৎপাত' আখতারুজ্জামান ইলিয়াস-এর একটি—
- ক) কাব্য
- খ) উপন্যাস
- গ) গল্পগ্রন্থসঠিক উত্তর
- ঘ) নাটক
ব্যাখ্যা: আখতারুজ্জামান ইলিয়াস (১৯৪৩-১৯৯৭) রচিত গল্পগ্রন্থ হচ্ছে- অন্য ঘরে অন্য স্বর (১৯৭৬), খোয়ারী (১৯৮২), দুধে ভাতে উৎপাত (১৯৮৫), দোজখের ওম (১৯৮৯)। অনাহার, অভাব, দারিদ্র্য ও শোষণের শিকার হয়ে যারা মানবেতর জীবনযাপন করছে সেসব অবহেলিত মানুষের জীবনাচার এই গল্প-উপন্যাসের ফুটে উঠেছে।
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান
প্রশ্ন ১৭: 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন—
- ক) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- খ) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তসঠিক উত্তর
- গ) নবীনচন্দ্র সেন
- ঘ) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা: 'সংবাদ প্রভাকর' (সাপ্তাহিক ১৮৩১, দৈনিক ১৮৩৯)-এর উভয় পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। তাঁর সম্পাদনায় আরো যেসব পত্রিকা প্রকাশিত হয় 'সংবাদ রত্নাবলী' (১৮৩২), 'পাষণ্ড পীড়ন' (১৮৪৬) এবং 'সংবাদ সাধুরঞ্জন' (১৮৪৮)।
বিষয়: বাংলা
প্রশ্ন ১৮: 'একখানি ছোটো খেত, আমি একেলা'—রবীন্দ্রনাথের কোন কবিতার চরণ?
- ক) চিত্রা
- খ) বলাকা
- গ) সোনার তরীসঠিক উত্তর
- ঘ) সাধারণ মেয়ে
ব্যাখ্যা: 'সোনার তরী' (১৮৯৪) রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। উদ্ধৃত চরণটি উক্ত কাব্যগ্রন্থের 'সোনার তরী' কবিতার অংশবিশেষ।
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান
প্রশ্ন ১৯: বুদ্ধদেব বসু কোন দশকের কবি হিসেবে খ্যাত?
- ক) ত্রিশ দশকেরসঠিক উত্তর
- খ) পঞ্চাশ দশকের
- গ) ষাট দশকের
- ঘ) চল্লিশ দশকের
ব্যাখ্যা: কথাসাহিত্যিক বুদ্ধদেব বসু (১৯০৮-১৯৭৪) যাকে বাংলা সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথের পর সব্যসাচী লেখক বলা হয়। তিনি মাসিক 'কল্লোল' (১৯২৩) পত্রিকার নিয়মিত লেখক ছিলেন। তার কাব্যগ্রন্থগুলো হলো 'বন্দীর বন্দনা' (১৯৩০), কঙ্কাবতী (১৯৩৭), যে আঁধার আলোর অধিক (১৯৫৮), মরচে পড়া পেরেকের গান (১৯৬৬), একদিন চিরদিন (১৯৭১) ইত্যাদি।
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
প্রশ্ন ২০: জাতিসংঘকর্তৃক কোন তারিখে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি দেয়া হয়?
- ক) ১৭ নভেম্বর ২০০০
- খ) ২১ নভেম্বর ১৯৯৯
- গ) ১৯ নভেম্বর ২০০০
- ঘ) ১৭ নভেম্বর ১৯৯৯সঠিক উত্তর
ব্যাখ্যা: ১৭ নভেম্বর ১৯৯৯ জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান এবং সাংস্কৃতিক সংস্থা (UNESCO)-এর ৩১তম অধিবেশনে ১৮৮টি রাষ্ট্রের উপস্থিতিতে ২১ শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়।
এই প্রশ্নপত্রে সময় ধরে পরীক্ষা দিন
১০০ প্রশ্ন · ১০০ মিনিট · সাথে সাথে ফলাফল
সচরাচর জিজ্ঞাসা
এই পরীক্ষায় পাস নম্বর কত ছিল?
[প্রতিষ্ঠান প্রকাশ করলে এখানে যোগ হবে — Exam.passMark]
প্রতিটি ভুল উত্তরে কত নম্বর কাটা যায়?
এই পরীক্ষায় ভুল উত্তরের জন্য নম্বর কাটা হয় না।
প্রশ্নপত্রের PDF কোথায় পাব?
এই প্রশ্নপত্রের PDF এখনও যোগ হয়নি; সব প্রশ্ন ও সমাধান এই পাতাতেই পড়তে পারবেন।
