১৪তম প্রভাষক নিবন্ধন পরীক্ষা (কলেজ/সমপর্যায়) ২০১৭ MCQ প্রশ্ন সমাধান — প্রশ্ন ও সমাধান
- পরীক্ষা:
- হালনাগাদ:
- ১ বার দেখা হয়েছে
- ১০০
- ১০০
- ১০০ মি.
- ১ নম্বর
- নেই
প্রশ্ন ও সমাধান · ১–২০ / ১০০
বিষয়: বাংলা
প্রশ্ন ১: 'বাংলা ভাষার উদ্ভব ও বিকাশ' গ্রন্থের রচয়িতার নাম —
- ক) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- খ) বিদ্যাপতি
- গ) ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়সঠিক উত্তর
- ঘ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা: 'বাংলা ভাষার উদ্ভব ও বিকাশ' গ্রন্থের প্রকৃত নাম 'The Origin and Development of the Bengali Language' (১৯২৬)। বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ সম্পর্কিত এ গ্রন্থের রচয়িতা ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়। তার আরো কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ Bengali Phonetic Reader, বাঙ্গালা ভাষাতত্ত্বের ভূমিকা, জাতি সংস্কৃতি সাহিত্য, পশ্চিমের যাত্রী। অন্যদিকে বাংলা ব্যাকরণ নিয়ে রচিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ ব্যাকরণ কৌমুদী।
বিষয়: বাংলা
প্রশ্ন ২: বাংলা সাহিত্যে চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেটের প্রবর্তক কে?
- ক) প্যারীচাঁদ মিত্র
- খ) মোহিতলাল মজুমদার
- গ) বিহারীলাল চক্রবর্তী
- ঘ) মাইকেল মধুসূদন দত্তসঠিক উত্তর
ব্যাখ্যা: চৌদ্দ পঙ্ক্তির চৌদ্দ অক্ষর বা মাত্রায় রচিত কবিতাকে সনেট বলে। সনেটের চৌদ্দ পঙ্ক্তি দুটি পর্বে বিভক্ত। প্রথম পর্ব অষ্টক ৮ পঙ্ক্তি আর দ্বিতীয় পর্ব ষষ্ঠক ৬ পঙ্ক্তি নামে পরিচিত। কবি পেত্রার্ক-এর রচনার মাধ্যমে সর্বপ্রথম সনেটের উদ্ভব হয় ইতালিতে।
বিষয়: বাংলা
প্রশ্ন ৩: 'চর্যাপদ' আবিষ্কৃত হয় কত সালে?
- ক) ১৯০৯
- খ) ১৭৯৮
- গ) ১৯০৭সঠিক উত্তর
- ঘ) ১৭০৯
ব্যাখ্যা: ১৯০৭ সালে নেপালের রাজগ্রন্থাগার থেকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদ আবিষ্কার করেন। চর্যাচর্যবিনিশ্চয়, সরহপাদ, কৃষ্ণপাদের দোহা এবং ডাকার্ণব এ চারটি পুঁথি একত্রে 'হাজার বছরের পুরান বাংলা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা' নামে ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এগুলোর মধ্যে একমাত্র চর্যাপদই বাংলা ভাষায় রচিত। অন্য তিনটি অপভ্রংশ ভাষায় রচিত।
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান
প্রশ্ন ৪: 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' — কি ধরনের রচনা?
- ক) ছোটগল্প
- খ) কাব্যনাটকসঠিক উত্তর
- গ) উপন্যাস
- ঘ) পত্রোপন্যাস
ব্যাখ্যা: সৈয়দ শামসুল হক (১৯৩৫-২০১৬) রচিত 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' গ্রন্থটি একটি কাব্যনাটক। এ কাব্যনাটকটি ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয়। এছাড়া 'গণনায়ক' (১৯৭৬), 'নূরলদীনের সারা জীবন' (১৯৮২), 'এখানে এখন' (১৯৮৮), 'ঈর্ষা', 'যুদ্ধ এবং যুদ্ধ' তার রচিত অন্যান্য কাব্যনাট্য।
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান
প্রশ্ন ৫: বাংলা গদ্যের জনক বলা হয় কাকে?
- ক) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরসঠিক উত্তর
- খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গ) প্যারীচাঁদ মিত্র
- ঘ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা: শিল্পসম্মত বাংলা গদ্যরীতির জনক হিসেবে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে অভিহিত করা হয়। তিনি বাংলা গদ্যের অবয়ব নির্মাণে যথেষ্ট ভূমিকা পালন করেন। বিদ্যাসাগর গদ্যের অনুশীলন পর্যায়ে সুশৃঙ্খলতা, পরিমিতিবোধ ও ধ্বনিপ্রবাহে অবিচ্ছিন্নতা সঞ্চার করে বাংলা গদ্যরীতিকে উৎকর্ষের এক উচ্চতর পরিসীমায় উন্নীত করেন।
বিষয়: সাধারণ বিজ্ঞান
প্রশ্ন ৬: 'তাসের ঘর' শব্দের অর্থ কি?
- ক) সর্বনাশ
- খ) তামাশা
- গ) ক্ষণস্থায়ীসঠিক উত্তর
- ঘ) ভণ্ড
ব্যাখ্যা: বক্তব্য বিষয়কে সৌন্দর্যমণ্ডিত করার জন্য ভাষায় ব্যবহৃত বিশেষ অর্থবহ শব্দগুচ্ছকে বাগধারা বলে। বাগধারার উদ্দেশ্য এক বা একাধিক শব্দের মিলনে কোনো লক্ষ্যার্থ প্রকাশ করা। যেমন– তাসের ঘর (ক্ষণস্থায়ী), তুলসী বনের বাঘ (ভণ্ড)।
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান
প্রশ্ন ৭: কমা (comma) এর বাংলা কি?
- ক) পূর্ণচ্ছেদ
- খ) দৃষ্টান্তচ্ছেদ
- গ) পাদচ্ছেদসঠিক উত্তর
- ঘ) অর্ধচ্ছেদ
ব্যাখ্যা: বাক্য পাঠকালে সুস্পষ্টতা বা অর্থ বিভাগ দেখাবার জন্য যেখানে স্বল্প বিরতির প্রয়োজন, সেখানে কমা বা পাদচ্ছেদ ব্যবহৃত হয়। যেমন– সুখ চাও, সুখ পাবে পরিশ্রমে।
বিষয়: বাংলা
প্রশ্ন ৮: কোনটি নিত্য সমাসের উদাহরণ?
- ক) অন্যগৃহসঠিক উত্তর
- খ) মিলের অভাব
- গ) স্ত্রীর অভাব
- ঘ) প্রকৃষ্ট গতি
ব্যাখ্যা: যে সমাসে সমস্যমান পদগুলো নিত্য সমাসবদ্ধ থাকে, ব্যাসবাক্যের দরকার হয় না, তাকে নিত্য সমাস বলে। যেমন– অন্য গ্রাম =গ্রামান্তর।
বিষয়: বাংলা
প্রশ্ন ৯: কোন বানানটি শুদ্ধ?
- ক) ডাষ্টবিন
- খ) দারিদ্রতা
- গ) দূষণীয়সঠিক উত্তর
- ঘ) নুপুর
ব্যাখ্যা: উপরিউক্ত অপশনগুলোর ভুল বানানের শুদ্ধরূপ হলো– ডাস্টবিন, দরিদ্রতা বা দারিদ্র্য, নূপুর।
বিষয়: সাধারণ বিজ্ঞান
প্রশ্ন ১০: 'অগ্নি' এর সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
- ক) হুতাশন
- খ) কৃশানু
- গ) বায়ুসখা
- ঘ) দ্যুতিসঠিক উত্তর
ব্যাখ্যা: দ্যুতি শব্দের সমার্থক শব্দ দীপ্তি, প্রভা, ঔজ্জ্বল্য, কিরণ, শোভা ইত্যাদি।
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান
প্রশ্ন ১১: 'ধূমকেতু' পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
- ক) বুদ্ধদেব বসু
- খ) শামসুর রাহমান
- গ) কাজী নজরুল ইসলামসঠিক উত্তর
- ঘ) শওকত ওসমান
ব্যাখ্যা: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬) দৈনিক নবযুগ পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। এছাড়া তার সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় ধূমকেতু (১৯২২) ও লাঙল (১৯২৫) পত্রিকা। তার অর্ধ সাপ্তাহিক ধূমকেতু পত্রিকায় প্রকাশিত রবীন্দ্রনাথের আশীর্বাদ বাণী হলো– 'আয় চলে আয় রে ধূমকেতু, আঁধারে বাঁধ অগ্নিসেতু দুর্দিনের এই দুর্গশিরে উড়িয়ে দে তোর বিজয় কেতন'।
বিষয়: সাধারণ বিজ্ঞান
প্রশ্ন ১২: কোনটি তৎসম শব্দ?
- ক) কিংবদন্তীসঠিক উত্তর
- খ) হাতি
- গ) চাঁদ
- ঘ) তেঁতুল
ব্যাখ্যা: যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো রূপ পরিবর্তন ছাড়া বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে সেসব শব্দকে তৎসম শব্দ বলে। যেমন– চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, ভবন, কর্ম, পত্র, মনুষ্য, মস্তক, বস্ত্র, গ্রহ, কর্ণ ইত্যাদি।
বিষয়: বাংলা
প্রশ্ন ১৩: স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কি বলে?
- ক) ফলা
- খ) কারসঠিক উত্তর
- গ) ধ্বনি
- ঘ) অক্ষর
ব্যাখ্যা: স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে বলে কার। বাংলা বর্ণমালায় ১০টি কার আছে। যেমন– া, ি, ী, ু, ূ, ৃ, ে, ৈ, ো, ৌ।
বিষয়: বাংলা
প্রশ্ন ১৪: উদ্যম বিহনে কার পূরে মনোরথ– এখানে 'উদ্যম বিহনে' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- ক) কর্তৃকারকে ৭মী
- খ) অধিকরণে ৭মীসঠিক উত্তর
- গ) অপাদানে ১ম
- ঘ) কর্মে ৭মী
ব্যাখ্যা: ক্রিয়ার আধারকে অধিকরণ কারক বলে। অর্থাৎ যে স্থানে বা যে বিষয়টি আশ্রয় করে ক্রিয়া নিষ্পন্ন হয়, সে বিষয়, সময় বা স্থানকে বলা হয় অধিকরণ কারক। যেমন– আকাশে চাঁদ উঠেছে।
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান
প্রশ্ন ১৫: 'বীরসন্তান প্রসব করে যে নারী'-এর এক কথায় প্রকাশ—
- ক) বীরভোগ্যা
- খ) রত্নগর্ভা
- গ) বীরপ্রসূসঠিক উত্তর
- ঘ) স্বর্ণমাতা
ব্যাখ্যা: বীরসন্তান প্রসব করে যে নারী– বীরপ্রসূ। রত্ন গর্ভে ধারণ করে যে নারী– রত্নগর্ভা।
বিষয়: সাধারণ বিজ্ঞান
প্রশ্ন ১৬: 'দীপ্যমান' শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় সঠিক কোনটি?
- ক) √দীপ্য + মান
- খ) √দিপ্য + মানচ
- গ) √দীপ + শামচ
- ঘ) √দিপ + শানচ
ব্যাখ্যা: [Note : শানচ্-প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ দীপ্যমান। কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ 'দীপ্যমান' এর সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় √দীপ্ + শানচ্ = দীপ্যমান। এরূপ– √চল + শানচ্ = চলমান, √বৃধ + শানচ্ = বর্ধমান।]
বিষয়: সাধারণ বিজ্ঞান
প্রশ্ন ১৭: 'ক্রিয়ারকাল ও পুরুষ' ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়?
- ক) ধ্বনিতত্ত্বে
- খ) রূপতত্ত্বেসঠিক উত্তর
- গ) বাক্যতত্ত্বে
- ঘ) অর্থতত্ত্বে
ব্যাখ্যা: এক বা একাধিক ধ্বনির অর্থবোধক সম্মিলনে শব্দ তৈরি হয়। শব্দের ক্ষুদ্রাংশকে বলা হয় রূপ (Morpheme)। রূপ গঠিত হয় শব্দ দ্বারা। সেজন্য শব্দতত্ত্বকে রূপতত্ত্ব (Morphology) বলে।
বিষয়: সাধারণ বিজ্ঞান
প্রশ্ন ১৮: শরীর > শরীল— শব্দটিতে ধ্বনি পরিবর্তনের কোন ধরনের নিয়ম প্রযোজ্য?
- ক) সমীভবন
- খ) বিষমীভবনসঠিক উত্তর
- গ) অসমীভবন
- ঘ) ধ্বনিবিপর্যয়
ব্যাখ্যা: দুটো সমবর্ণের একটির পরিবর্তনকে বিষমীভবন বলে। যেমন– শরীর > শরীল, লাল > নাল ইত্যাদি।
বিষয়: বাংলা
প্রশ্ন ১৯: 'দুর্যোগ' এর সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
- ক) দুঃ + যোগ
- খ) [অস্পষ্ট] + যোগসঠিক উত্তর
- গ) দুর + যোগ
- ঘ) দুরঃ + যোগ
ব্যাখ্যা: অ ও আ ভিন্ন অন্য স্বরের পরে বিসর্গ থাকলে এবং তার সঙ্গে অ, আ, বর্গীয় ঘোষ অল্পপ্রাণ ও ঘোষ মহাপ্রাণ, নাসিক্যধ্বনি কিংবা য, র, ল, ব, হ-এর সন্ধি হলে বিসর্গ স্থানে 'র' হয়। যেমন : দুঃ + যোগ = দুর্যোগ, আশীঃ + বাদ = আশীর্বাদ, নিঃ + আকার = নিরাকার ইত্যাদি।
বিষয়: সাধারণ বিজ্ঞান
প্রশ্ন ২০: 'উপকণ্ঠ' শব্দটির সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?
- ক) কণ্ঠের সমীপেসঠিক উত্তর
- খ) কণ্ঠের সদৃশ
- গ) উপ যে কণ্ঠ
- ঘ) কণ্ঠ পর্যন্ত
ব্যাখ্যা: যে সমাসে সমস্যমান পদদ্বয়ের পূর্বপদ অব্যয় হয়ে অর্থের দিক থেকে প্রাধান্য লাভ করে, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। যেমন– দিন দিন = প্রতিদিন, কণ্ঠের সমীপে = উপকণ্ঠ, জেলার সদৃশ = উপজেলা, কথার সদৃশ = উপকথা।
এই প্রশ্নপত্রে সময় ধরে পরীক্ষা দিন
১০০ প্রশ্ন · ১০০ মিনিট · সাথে সাথে ফলাফল
সচরাচর জিজ্ঞাসা
এই পরীক্ষায় পাস নম্বর কত ছিল?
[প্রতিষ্ঠান প্রকাশ করলে এখানে যোগ হবে — Exam.passMark]
প্রতিটি ভুল উত্তরে কত নম্বর কাটা যায়?
এই পরীক্ষায় ভুল উত্তরের জন্য নম্বর কাটা হয় না।
প্রশ্নপত্রের PDF কোথায় পাব?
এই প্রশ্নপত্রের PDF এখনও যোগ হয়নি; সব প্রশ্ন ও সমাধান এই পাতাতেই পড়তে পারবেন।
