ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের ডাক অধিদপ্তরের উপজেলা পোস্ট মাস্টার ২০১০ MCQ প্রশ্ন সমাধান — প্রশ্ন ও সমাধান
- পরীক্ষা:
- হালনাগাদ:
- ১ বার দেখা হয়েছে
- ১০০
- ১০০
- ১০০ মি.
- ১ নম্বর
- নেই
প্রশ্ন ও সমাধান · ১–২০ / ১০০
বিষয়: বাংলা
প্রশ্ন ১: 'রোহিণী' চরিত্রটি কোন উপন্যাসের?
- ক) পল্লীসমাজ
- খ) মৃত্যুক্ষুধা
- গ) সংশপ্তক
- ঘ) কৃষ্ণকান্তের উইলসঠিক উত্তর
- ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'পল্লীসমাজ' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র রমা ও রমেশ। কাজী নজরুল ইসলামের 'মৃত্যুক্ষুধা' উপন্যাসের চরিত্র রুবি, আনসার, মোয়াজ্জেম। শহীদুল্লাহ কায়সারের 'সংশপ্তক' উপন্যাসের চরিত্র লেকু, হুরমতি, রমজান। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কৃষ্ণকান্তের উইল' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র ভ্রমর, রোহিণী, হরলাল, গোবিন্দলাল।
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান
প্রশ্ন ২: বাংলা লিপির উৎপত্তি কোন লিপি থেকে?
- ক) খরোষ্ঠী লিপি
- খ) ব্রাহ্মী লিপিসঠিক উত্তর
- গ) অশোক লিপি
- ঘ) প্রকৃত লিপি
- ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা: প্রাচীন ভারতীয় লিপি দুটি– ব্রাহ্মী ও খরোষ্ঠী। ব্রাহ্মী লিপি তিন ভাগে বিভক্ত। যথা– পূর্বী লিপি, মধ্য ভারতীয় লিপি এবং পশ্চিমা লিপি। পূর্বী লিপির কুটিল রূপ থেকে বাংলা লিপির উদ্ভব।
বিষয়: বাংলা
প্রশ্ন ৩: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম গ্রন্থ কোনটি?
- ক) বেদ
- খ) শূন্যপুরাণ
- গ) মঙ্গলকাব্য
- ঘ) চর্যাপদসঠিক উত্তর
- ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন 'চর্যাপদ'। সে হিসেবে এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম গ্রন্থ। 'চর্যাপদ' হলো গানের সংকলন, যা রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজগ্রন্থশালা থেকে ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে 'চর্যাপদ' আবিষ্কার করেন। 'বেদ' হলো 'ঋক, সাম, যজুঃ, অথর্ব'– এ চারটি ভাগে বিভক্ত হিন্দুদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ। 'শূন্যপুরাণ' রামাইপণ্ডিত রচিত মধ্যযুগের প্রথম দিককার বৌদ্ধ ধর্মীয় গ্রন্থ। মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যে দেবদেবীর লীলামাহাত্ম্য বর্ণনা করে যে কাব্য রচনা করা হতো তাকে মঙ্গলকাব্য বলা হয়।
বিষয়: বাংলা
প্রশ্ন ৪: কোন সময়কে বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ বলা হয়?
- ক) ১২০১-১৩৫০ খ্রি.সঠিক উত্তর
- খ) ৬০০-৯৫০ খ্রি.
- গ) ১৩৫১-১৫০০ খ্রি.
- ঘ) ৬০০-৭৫০ খ্রি.
- ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের যুগবিভাগে আমরা তিনটি যুগ লক্ষ্য করি। ৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত প্রাচীন যুগ, ১২০১ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মধ্যযুগ এবং ১৮০১ খ্রিস্টাব্দ থেকে বর্তমান পর্যন্ত আধুনিক যুগ। কিন্তু এ যুগবিভাগের মধ্যে ১২০১ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৩৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কে অনেক সমালোচক মধ্যযুগের অন্তর্ভুক্ত বলে স্বীকার করতে চান না। তারা এ সময়কে 'অন্ধকার যুগ' বলে মনে করেন। তাদের মতে, এই ১৫০ বছর বাংলা সাহিত্যে কোনো সাহিত্যকর্ম সৃষ্টি হয়নি।
বিষয়: বাংলা
প্রশ্ন ৫: কোন রাজবংশের আমলে চর্যাপদ রচনা শুরু হয়?
- ক) পালসঠিক উত্তর
- খ) সেন
- গ) মুঘল
- ঘ) তুর্কী
- ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা: চর্যাপদ রচনা করেন বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যগণ। বাংলার পাল বংশের রাজারা ছিলেন বৌদ্ধ। আর তাই তাদের আমলেই চর্যাগীতিকাগুলোর বিকাশ ঘটে।
বিষয়: বাংলা
প্রশ্ন ৬: 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্য কে রচনা করেন?
- ক) রামাই পণ্ডিত
- খ) হলায়ুধ মিশ্র
- গ) বড়ু চণ্ডীদাসসঠিক উত্তর
- ঘ) খনা
- ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের আদি কবি বড়ু চণ্ডীদাস লোকসমাজে প্রচলিত রাধাকৃষ্ণ প্রেম-সম্পর্কিত গ্রাম্য গল্প অবলম্বনে 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্য রচনা করেন। কাব্যটি মোট তের খণ্ডে বিভক্ত। রাধা, কৃষ্ণ ও বড়াই এ তিনটি চরিত্র অবলম্বনে 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন'-এর কাহিনী রূপায়িত হয়েছে।
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান
প্রশ্ন ৭: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ কত খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়?
- ক) ১৭৯৫
- খ) ১৭৯৯
- গ) ১৮০০সঠিক উত্তর
- ঘ) ১৮০১
- ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশে কর্মরত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ইংরেজ কর্মচারীদের দেশীয় ভাষায় শিক্ষাদানের জন্য তৎকালীন ইংরেজ শাসিত ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়েলেসলি কর্তৃক ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। ৪ মে কলেজের প্রতিষ্ঠা-দিবস হলেও ২৪ নভেম্বর থেকে কলেজের কাজ শুরু হয়েছিল। এ কলেজে ১৮০১ খ্রিস্টাব্দে বাংলা বিভাগ প্রবর্তিত হলে অধ্যক্ষ হিসেবে আসেন শ্রীরামপুর মিশনের পাদ্রি এবং বাইবেলের অনুবাদক বাংলায় অভিজ্ঞ উইলিয়াম কেরি।
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান
প্রশ্ন ৮: কালীপ্রসন্ন সিংহ এর ছদ্মনাম কোনটি?
- ক) যাযাবর
- খ) অবধূত
- গ) ভানুসিংহ
- ঘ) হুতোম প্যাঁচাসঠিক উত্তর
- ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা: বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম যাযাবর। কালিকানন্দের ছদ্মনাম অবধূত। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম ভানুসিংহ। কালীপ্রসন্ন সিংহের ছদ্মনাম হুতোম পেঁচা।
বিষয়: সাধারণ বিজ্ঞান
প্রশ্ন ৯: 'পঞ্চতন্ত্র' গ্রন্থটি কার রচনা?
- ক) সত্যেন সেন
- খ) আবুল ফজল
- গ) সৈয়দ মুজতবা আলীসঠিক উত্তর
- ঘ) সমরেশ বসু
- ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা: 'পঞ্চতন্ত্র' সৈয়দ মুজতবা আলীর প্রবন্ধ সংকলন। এতে দুটি পর্ব রয়েছে। প্রথম পর্বে রয়েছে ৩৪টি রচনার সংকলন, দ্বিতীয় পর্বে আরো ৩১টি; মোট ৬৫টি। এর উল্লেখযোগ্য রচনা-বই কেনা, মোপাসাঁ, বিদেশে, মেশেদিনী প্রভৃতি। গ্রন্থটিকে রম্যসাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান
প্রশ্ন ১০: ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থের নাম কি?
- ক) কপালকুণ্ডলা
- খ) নীলদর্পণসঠিক উত্তর
- গ) মরুশিখা
- ঘ) মেঘনাদ বধ
- ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা: ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থ হচ্ছে 'নীলদর্পণ' (১৮৬০) নাটক। বাংলা ভাষায় প্রথম আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক বিষয়ে এ নাটক লেখেন দীনবন্ধু মিত্র। নাটকটি ১৮৬০ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকার বাংলাবাজারস্থ বাঙালাযন্ত্রে রামচন্দ্র ভৌমিক কর্তৃক মুদ্রিত হয়েছিল। 'কপালকুণ্ডলা' (১৮৬৬) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস। 'মরুশিখা' (১৯২৮) যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তের কাব্যগ্রন্থ। 'মেঘনাদবধ' (১৮৬১) মাইকেল মধুসূদন দত্তের মহাকাব্য।
বিষয়: বাংলা
প্রশ্ন ১১: বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রা বর্ণ কতটি?
- ক) ৭টি
- খ) ৮টিসঠিক উত্তর
- গ) ৯টি
- ঘ) ১০টি
- ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালার ৫০টি বর্ণের মধ্যে ৩২টিতে পূর্ণমাত্রা, ৮টিতে অর্ধমাত্রা এবং ১০টিতে কোনো মাত্রা ব্যবহৃত হয় না। পূর্ণমাত্রা সম্পন্ন বর্ণ : অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ক, ঘ, চ, ছ, জ, ঝ, ট, ঠ, ড, ঢ, ত, দ, ন, ফ, ব, ভ, ম, য, র, ল, ষ, স, হ, ড়, ঢ়, য় = ৩২টি। অর্ধমাত্রা সম্পন্ন বর্ণ : ঋ, খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ = ৮টি। মাত্রাহীন বর্ণ : এ, ঐ, ও, ঔ, ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ = ১০টি।
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান
প্রশ্ন ১২: এক কথায় প্রকাশ করুন : একবার ফল দিয়ে যে গাছ মারা যায়–
- ক) ঔষধি
- খ) ওষধিসঠিক উত্তর
- গ) ঔষধী
- ঘ) একবর্ষী
- ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা: ঔষধি– যে সকল গাছগাছড়া থেকে ঔষধ প্রস্তুত হয়। ওষধি– যে গাছ একবার ফল দিয়েই মরে যায়।
বিষয়: বাংলা
প্রশ্ন ১৩: কোনটি দ্বন্দ্ব সমাস?
- ক) কোকিলকণ্ঠী
- খ) রাতজাগা
- গ) হাটেবাজারেসঠিক উত্তর
- ঘ) মেনিমুখো
- ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা: a. কোকিলকণ্ঠী– কোকিলের ন্যায় কণ্ঠ যার (বহুব্রীহি সমাস) b. রাতজাগা– রাতে জাগা (সপ্তমী তৎপুরুষ) c. হাটেবাজারে– হাটে ও বাজারে (দ্বন্দ্ব সমাস) d. মেনিমুখো– মেনির (বিড়াল) মতো মুখ (উপমিত কর্মধারয় সমাস)।
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান
প্রশ্ন ১৪: 'অন্যপুষ্ট' কোন পাখিকে বলা হয়?
- ক) কোকিলসঠিক উত্তর
- খ) দোয়েল
- গ) ময়ূর
- ঘ) কাক
- ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা: কোকিল– অন্যপুষ্ট, অন্যভৃত, পরভৃত, পিক; দোয়েল– সমধুর গায়ক পাখিবিশেষ (বাংলাদেশের জাতীয় পাখি); কাক– বায়স; ময়ূর– শিখী, কলাপী, বর্হী, শিখণ্ডী।
বিষয়: সাধারণ বিজ্ঞান
প্রশ্ন ১৫: 'অর্বাচীন'-এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
- ক) বাচীন
- খ) প্রাচীনসঠিক উত্তর
- গ) নবীন
- ঘ) চেনা
- ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা: অর্বাচীন শব্দের অর্থ নবীন, আধুনিক, অপ্রবীণ। সুতরাং অর্বাচীন-এর বিপরীত শব্দ প্রাচীন।
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান
প্রশ্ন ১৬: 'তার বয়স বাড়লেও বুদ্ধি বাড়েনি'– এটি কোন শ্রেণীর বাক্য?
- ক) সরল বাক্যসঠিক উত্তর
- খ) জটিল বাক্য
- গ) যৌগিক বাক্য
- ঘ) ব্যাসবাক্য
- ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা: সরল বাক্যে একটি মাত্র উদ্দেশ্য (কর্তা) ও একটি মাত্র বিধেয় (সমাপিকা ক্রিয়া) থাকে। এখানে উদ্দেশ্য হচ্ছে 'তার বয়স' আর সমাপিকা ক্রিয়া হচ্ছে 'বাড়েনি'। আরো উদাহরণ– দিপা বই পড়ে। রাসেল ক্রিকেট খেলে।
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান
প্রশ্ন ১৭: পাশাপাশি দুটি বর্ণ বা ধ্বনির মিলনকে কি বলে?
- ক) সমাস
- খ) ধ্বনি বিপর্যয়
- গ) অপিনিহিতি
- ঘ) সন্ধিসঠিক উত্তর
- ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা: a. পরস্পর অর্থসঙ্গতিসম্পন্ন দুই বা ততোধিক পদের এক পদে পরিণত হওয়াকে সমাস বলে। b. শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনের পরস্পর স্থান পরিবর্তন ঘটলে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে। যেমন– বাক্স–বাস্ক, রিকশা–রিশকা। c. পরের ই-কার ও উ-কার আগে উচ্চারিত হলে কিংবা যুক্ত ব্যঞ্জন ধ্বনির আগে ই-কার বা উ-কার উচ্চারিত হলে তাকে অপিনিহিতি বলে। d. পাশাপাশি দুটি বর্ণ বা ধ্বনির মিলনকে বলে সন্ধি।
বিষয়: সাধারণ বিজ্ঞান
প্রশ্ন ১৮: নিচের কোন স্ত্রীবাচক শব্দের দুটি পুরুষবাচক শব্দ রয়েছে?
- ক) কবিরাজ
- খ) কুলটা
- গ) ননদসঠিক উত্তর
- ঘ) নবীন
- ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা: কবিরাজ শব্দটির লিঙ্গান্তর হয় না। এটি নিত্য পুরুষবাচক শব্দ। 'কুলটা' শব্দের অর্থ ভ্রষ্টা, অসতী স্ত্রী, কুল বা স্বামীগৃহ ত্যাগ করে যে রমণী, 'ননদ' শব্দটির দুটি পুরুষবাচক শব্দ রয়েছে। যথা– দেবর ও ননদাই। নবীন শব্দটির স্ত্রী লিঙ্গ নবীনা (অল্পবয়স্কা, তরুণী, যৌবনবতী, নবযৌবনা, যুবতী)।
বিষয়: বাংলা
প্রশ্ন ১৯: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সংস্কৃত উপসর্গ কতটি?
- ক) ১৮
- খ) ১৯
- গ) ২০সঠিক উত্তর
- ঘ) ২১
- ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা: যেসব উপসর্গ সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হচ্ছে সেসব উপসর্গকে বলা হয় তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ। সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি। যথা : প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অপি, অভি, উপ, আ।
বিষয়: বাংলা
প্রশ্ন ২০: সমাসনিষ্পন্ন পদটিকে কি বলে?
- ক) সমস্ত পদসঠিক উত্তর
- খ) ব্যাসবাক্য
- গ) উত্তর পদ
- ঘ) সমস্যমান পদ
- ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা: a. সমাসবদ্ধ বা সমাসনিষ্পন্ন পদটির নাম সমস্ত পদ। b. সমস্ত পদকে ভাঙলে যে বাক্যাংশ পাওয়া যায় তাকে বলা হয় ব্যাসবাক্য। c. সমাসযুক্ত পদের প্রথম অংশকে উত্তর পদ বা পরপদ বলে। d. যে যে পদে সমাস হয়, তাদের প্রত্যেককে সমস্যমান পদ বলে।
এই প্রশ্নপত্রে সময় ধরে পরীক্ষা দিন
১০০ প্রশ্ন · ১০০ মিনিট · সাথে সাথে ফলাফল
সচরাচর জিজ্ঞাসা
এই পরীক্ষায় পাস নম্বর কত ছিল?
[প্রতিষ্ঠান প্রকাশ করলে এখানে যোগ হবে — Exam.passMark]
প্রতিটি ভুল উত্তরে কত নম্বর কাটা যায়?
এই পরীক্ষায় ভুল উত্তরের জন্য নম্বর কাটা হয় না।
প্রশ্নপত্রের PDF কোথায় পাব?
এই প্রশ্নপত্রের PDF এখনও যোগ হয়নি; সব প্রশ্ন ও সমাধান এই পাতাতেই পড়তে পারবেন।
